মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা চরমে। এই পরিস্থিতিতে বড়সড় হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, খুব দ্রুত শান্তিচুক্তি না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র ও গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে।
সোমবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প দাবি করেন, একটি “নতুন এবং আরও যুক্তিসঙ্গত” শাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ইতিমধ্যেই অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি খুব শীঘ্রই চুক্তি না হয় এবং Strait of Hormuz অবিলম্বে জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে না দেওয়া হয়, তাহলে কঠোর পদক্ষেপ নেবে আমেরিকা।
ট্রাম্পের কথায়, সেই ক্ষেত্রে মার্কিন সেনা ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, তেল কূপ এবং খার্গ দ্বীপ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিতে পারে। এমনকি প্রয়োজন হলে জলশোধনাগারগুলোকেও নিশানা করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অতীতে মার্কিন সেনাদের উপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার
এই হুঁশিয়ারির মধ্যেই কূটনৈতিক স্তরেও চলছে তৎপরতা। পাকিস্তান-সহ একাধিক দেশের উদ্যোগে সংঘাত মেটানোর চেষ্টা চলছে। রবিবার ইসলামাবাদে পাকিস্তান, মিশর, সৌদি আরব ও তুরস্কের বিদেশমন্ত্রীরা বৈঠক করে পরিস্থিতি শান্ত করার পথ খোঁজেন।
এই আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল Strait of Hormuz পুনরায় খুলে দেওয়া, কারণ এই জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের দামে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ
ইরান-সংকট ঘিরে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
