মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়ছে। এর মধ্যেই ইরানে নতুন সুপ্রিম লিডার নির্বাচিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার কয়েক দিন পরও সংঘাত থামেনি। ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক চাপ—সব মিলিয়ে গোটা অঞ্চল জুড়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষ নিহত বা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘোষণা করেছে।
ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার
ইরানের ধর্মীয় পরিষদ Assembly of Experts ঘোষণা করেছে যে, Mojtaba Khamenei-কে দেশের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি প্রয়াত নেতা Ali Khamenei-এর দ্বিতীয় পুত্র।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মোজতবা খামেনেই এখন ইরানের তৃতীয় সুপ্রিম লিডার। নতুন নেতার ঘোষণার পর ইরানের কিছু এলাকায় সমর্থকদের উদ্যাপনও দেখা গেছে।
আমেরিকার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ভেঙে তার তেলের সম্পদ দখল করতে চাইছে।
তেহরানে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্য হল ইরানের সার্বভৌমত্ব দুর্বল করা এবং দেশের জ্বালানি সম্পদের উপর অবৈধ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।
ইরানের দাবি, সংঘাত বাড়ার আগে তারা কূটনৈতিক আলোচনায় যুক্ত ছিল। কিন্তু এখন বিভিন্ন বক্তব্য ও অভিযোগের মাধ্যমে সামরিক পদক্ষেপকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে প্রভাব
চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, বাণিজ্য ও অর্থনীতিতেও বড় ধাক্কা লাগছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ও বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর আরও বড় প্রভাব পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত না হলে পশ্চিম এশিয়ায় আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
