ঘৃণাত্মক বক্তব্য রোধে নির্দেশিকা তৈরির দাবি জানিয়ে দায়ের করা একটি আর্জি গ্রহণ করতে অস্বীকার করল শীর্ষ আদালত। মামলায় আবেদনকারী পক্ষের অভিযোগ ছিল, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রেই বাছাই করে পদক্ষেপ করা হচ্ছে এবং সর্বজনীন নীতিমালা প্রয়োজন।
শুনানির সময় আদালত জানায়, বিদ্যমান আইনেই এই ধরনের অপরাধ মোকাবিলার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। নতুন করে নির্দেশিকা জারির প্রয়োজনীয়তা তারা এই পর্যায়ে দেখছে না। একই সঙ্গে আদালত পর্যবেক্ষণ করে, আইন প্রয়োগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
আবেদনকারী পক্ষ দাবি করেছিল, ঘৃণাত্মক বক্তব্যের ক্ষেত্রে একরূপ মানদণ্ড না থাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তবে আদালত এই যুক্তি গ্রহণ করেনি এবং আর্জিটি শুনানির জন্য গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
এই রায় ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘৃণাত্মক বক্তব্য মোকাবিলায় বিদ্যমান আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।
