প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে গত এক দশকে দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জে পি নাড্ডা। শনিবার দেরাদুনে স্বামী রামা হিমালয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, ১১ বছরে দেশে এইমসের সংখ্যা ৬ থেকে বেড়ে ২৩-এ পৌঁছেছে।
নবীন চিকিৎসকদের পেশার সর্বোচ্চ আদর্শ বজায় রেখে মানবসেবায় নিজেদের উৎসর্গ করার আহ্বানও জানান তিনি। নাড্ডা বলেন, তৃতীয় স্তরের উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্তৃত হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার প্রায় ৮৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা মাতৃস্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির ইঙ্গিত দেয়।
তিনি আরও জানান, এক দশক আগে প্রতি লক্ষ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল ১৩০, যা কমে দাঁড়িয়েছে ৮৮-এ। একই সময়ে শিশু মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ৩৯ থেকে কমে ২৭-এ নেমেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও রাষ্ট্রপুঞ্জের বিভিন্ন সংস্থার অনুমান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গত দশকে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশু মৃত্যুহার কমানোর ক্ষেত্রে ভারত বিশ্ব গড়ের তুলনায় দ্রুত অগ্রগতি করেছে।
যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতেও উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, টিবি সংক্রমণ হ্রাসে ভারত বিশ্ব গড়ের চেয়ে ভালো ফল করেছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেশের টিকাকরণ কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন নাড্ডা। তাঁর দাবি, সারা দেশে ২২০ কোটির বেশি ভ্যাকসিন ডোজ, বুস্টার ও প্রিকশন ডোজসহ, প্রদান করা হয়েছে, যা দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা ও কার্যকারিতার প্রমাণ।
