আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় শুক্রবার কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের শ্যামবাজারের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। বিকেল ৫টা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অতীন জানান—
- তাঁকে রোগী কল্যাণ সমিতি সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হয়েছে।
- সমিতির সদস্য হিসেবে তিনি তিন বছরে ১২টি বৈঠকের মধ্যে ৮-১০টিতে যোগ দিয়েছিলেন।
- নিজের সীমিত ভূমিকা ব্যাখ্যা করে তিনি সিবিআইকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
অতীনের বক্তব্য:
- “আমাকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। আমি নাগরিক হিসেবে সহযোগিতা করেছি।”
- “ষড়যন্ত্র ভেবে দেখছি না। সিবিআই তাঁদের অধিকারে এসে প্রশ্ন করেছে।”
- “১৫ বছর ধরে স্বাস্থ্য বিভাগ সামলাচ্ছি, কেউ আঙুল তুলতে পারেনি।”
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া:
- কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে বিজেপি সিবিআই-ইডি ব্যবহার করছে।
- তাঁর দাবি, সিবিআই আধিকারিকরা জানিয়েছেন তাঁরা “দিল্লি থেকে ফোনে নির্দেশ পান”।
- ফিরহাদের কথায়, “আমরা ভরসা করি মানুষের উপরে, ওরা ভরসা করে সিবিআইয়ের উপরে।”
পটভূমি:
- আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ-খুন কাণ্ডের পরই সামনে আসে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ।
- সেই তদন্তের অঙ্গ হিসেবেই অতীনের বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা।
