বাংলা বছরের প্রথম দিনেই বাবা বর্ধমানেশ্বর শিবমন্দিরে পুজো দিতে এসে ত্রিশূল হাতে এবার দিলীপ ঘোষ। বাবার ওখান থেকে ত্রিশূল লাভ হল। বাবা যখন এই বিশ্বে অশুভ শক্তির প্রভাব বেড়েছে, তখনই তিনি ত্রিশূল হাতে তুলে নিয়েছেন, তান্ডব নৃত্য করেছেন। তারই অনুপ্রেরণায় তার ত্রিশূল নিয়ে আমরা অভিযান করে, স্বচ্ছ ভারত আর স্বচ্ছ রাজনীতি গড়তে চাই। ত্রিশূল তার প্রতীক। কোনও ভয়ে কি আত্মরক্ষার জন্যে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপবাবু বলেন, আত্মরক্ষা না দেশ রক্ষা।
আজকে তো পশ্চিমবঙ্গ দিবস। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপবাবু বলেন, টিএমসি চলে গেলে এই দিনটাও চলে যাবে। পয়লা বৈশাখ পশ্চিমবঙ্গ দিবস কী করে হল, আমরা জানিনা। পশ্চিমবঙ্গকে হটিয়ে দিয়ে বাংলা করার চেষ্টা করছেন। আবার পশ্চিমবঙ্গ দিবসও করছেন।
রবিবার বর্ধমান শহরের আলমগঞ্জ কল্পতরু মাঠে সকালে প্রাত:ভ্রমণে যান বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। প্রাতঃভ্রমন শেষ করে তিনি আলমগঞ্জ মোড় পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় চায়ে পে চর্চার সাথে জনসংযোগ করেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তৃণমূলকে জেতালে আগামী ১লা ডিসেম্বরের মধ্যে আগষ্টের প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকে যাবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে, দিলীপ ঘোষ বলেন, দুবার-তিনবার তো জেতালো, সবার পকেট ফাঁকা। টাকা পৌঁছচ্ছে, কোথায় পৌঁছচ্ছে, সেটা লোকে জেনে গেছে। সেজন্য টিএমসি জিতলে কয়েকটা পরিবার ও কয়েকটা লোকের সুবিধা হবে। বিজেপি জিতলে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে। তাঁরা সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, লোকে ওনাকে নিয়ে মজা দেখছেন।
একবার ঘোড়ায় চড়ছেন, আবার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তায় হাঁটছেন। এটা কী ধরনের গণতন্ত্র? উনি দাঁড়িয়েছেন, না ওনার স্ত্রী দাঁড়িয়েছেন? ভোটে উনি যতো ড্রামা করছেন।তারপর নাচানাচি করে, যেমন রাস্তায় বাঁদর খেলা দেখায়, তেমনি নেচে লোক জোগাড় করার চেষ্টা করছেন।