নিজস্ব সংবাদদাতা, ক্যানিং: পুলিশের উদ্যোগে প্রাণে বাঁচলেন নদীতে ডুবন্ত এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিং থানার মাতলা ব্রীজ সংলগ্ন মাতলা নদীতে।
জানা গিয়েছে, আজ, বুধবার সকালে ক্যানিং থানার পুলিশের কাছে খবর আসে, মাতলা নদীতে এক যুবক ভাসছে। খবর পেয়েই তড়িঘড়ি হাজির হয় ক্যানিং থানার পুলিশ। মাতলা নদী থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে। উদ্ধার করার পর দ্রুত তাঁকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে সঙ্কটজনক অবস্থায় ওই যুবকের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনারপুরের রাধাগোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা তপন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর স্ত্রী সারথী ও তিন ছেলে রয়েছে। ছোট ছেলে সন্দীপ মানসিক ভারসাম্যহীন। এদিন মায়ের সঙ্গে ট্রেনে চেপে ক্যানিংয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে মাকে সঙ্গে নিয়ে মাতলা নদীর লঞ্চঘাটে যায়। সেখানে সন্দীপ তাঁর মা সারথী দেবীকে ঠেলা মেরে ফেলে দিয়ে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ভাসতে ভাসতে মাতলা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় নদীর চরে আটকে যায়। সেখানে অচৈতন্য অবস্থায় পড়েছিল সে। নদীতে তখন ভাটা চলছিল। এমন ঘটনা নজরে পড়ে স্থানীয় মানুষের। তাঁরা ক্যানিং থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে হাজির হয় ক্যানিং থানার এসআই তমাল দত্ত সহ পুলিশ বাহিনী। নদী থেকে ওই যুবককে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে।
মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের বাবা তপন চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। চিকিৎসা চলছে অনেকদিন ধরে। এদিন মায়ের সঙ্গে বেরিয়েছিল। মাকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিল সে। পুলিশ উদ্ধার না করলে ছেলেকে জীবিত অবস্থায় ফিরে পেতাম না। পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
previous post