শঙ্কর মন্ডল
যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো অনুযায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একে অপরের সাথে বৈঠক করবে, মতের আদান প্রদান করবে সেটাই স্বাভাবিক। আর সীমান্ত সমস্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করাই তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কর্তব্য। আর এই নিয়ে কটাক্ষ করছে কে? মহঃ সেলিম? যিনি অন্যকে কমিউনিজম শেখান, নাস্তিকতা শেখান, আর নিজের ছেলের বিয়ে দেন ইসলামী নিয়ম মেনে, ব্রাহ্মণ বিকাশকে প্রকাশ্যে গরু খাওয়ান। অথচ নিজে শুয়োর খান না মুসলমান বলে। আর এই কমিউনিস্টরা ভারতের গণতন্ত্র তো বটেই দেশের স্বার্বভৌমত্বের প্রশ্নে একটা বড় থ্রেড।
আর অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের আর এক অপ্রাসঙ্গিক দল কংগ্রেস। যার রাজ্য সভাপতি অধীর চৌধুরীও এই বৈঠক প্রসঙ্গে সেটিং তত্ত্ব নিয়ে আসছেন। আসলে দীর্ঘ চার দশক ধরে ওর দল কংগ্রেস এই রাজ্যে সিপিএমের সঙ্গে সেটিং করেই রাজনীতি করছে। যাইহোক, এখন এই বৈঠক চলাকালীন রাজ্যের যুবরাজ যথারীতি গ্যালারি শো অব্যাহত রাখলেন নদীয়ায়। তিনি এক পঞ্চায়েত প্রধানকে বলির পাঁঠা করে নিজের লক্ষ্য অনুযায়ী এক বিরাট বিজ্ঞাপন তৈরি করলেন। সেটা সম্পূর্ণ লোক দেখানো। সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
আসলে এই রাজ্যে বর্তমান সরকারের পুরোটাই দুর্নীতিগ্রস্থ। আর তাই অভিষেকের মুখে এখন নতুন তৃণমূলের ডাক। কিন্তু সেই নতুন তৃণমূল কি মঙ্গল গ্রহ থেকে আসবে? এই গ্রহের সব দুষ্কৃতীকারীরাই এখন তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। তাই এদের উপেক্ষা করা অভিষেকের পক্ষে সম্ভব নয়। আর অভিষেকের মুখে শান্তিপূর্ণ ভোটের ডাক, শতাব্দীর সেরা জোকস। এটা সম্ভব নয়। গুণ্ডামি ছাড়া তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনাই নেই। আর পূর্বেও অভিষেকের এই ডায়ালগ যে একটি হাস্যকর গ্যালারি শো, তার প্রমাণ বিগত পৌর নির্বাচনেই পাওয়া গেছে। তাই এসবের তোয়াক্কা না করে আমাদের সংগঠিত করতে হবে সনাতনীদের। কারণ, তা না হলে বাংলার সংস্কৃতি, সার্বভৌমত্ব-এর কোনওটাই রক্ষা করা সম্ভব নয়।
[ বিশেষ দ্রষ্টব্য : লেখক সংযুক্ত হিন্দু ফ্রন্টের সভাপতি। প্রবন্ধে তাঁর বক্তব্য একান্ত ব্যক্তিগত। আপনিও আপনার স্বাধীন মতামত আমাদের এই কলামে ব্যক্ত করতে পারেন। লেখা পাঠানোর ই-মেল: sangbadkolkata@gmail.com ]
next post